কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা এখন অনেকটাই প্রকাশ্যে। একইসঙ্গে ১৬টি সংসদীয় আসনের কোথাও হেভিওয়েট সংসদ সদস্য ও তাদের নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। তবে সংসদ সদস্যদের মধ্যে অনেকের অবস্থান দেশের বাইরে ছিল।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে এমপি হয়েছেন ৭ জন। এছাড়া অন্যান্য অনেক আসনে প্রভাবশালী সংসদ সদস্য থাকলেও মাঠে কারো উপস্থিতি ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি ব্যাপকভাবে সামনে আসে। অনেক এমপি নিজ এলাকায় না থেকে দেশের বাইরে ছিলেন বলেও জানা গেছে।
এছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও বিভেদ ছিল চোখে পড়ার মতো। সাংগঠনিক ব্যর্থতা, সংসদ সদস্যদের নিজ এলাকায় না থেকে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা, আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি বুঝতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগরের ১৪ দলের সমন্বয়ক।
সমন্বয়ক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, লন্ডন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও দুবাইয়ে ঘন ঘন যায়, সেখানে তাদের (সংসদ সদস্যরা) কাজটা কী? পুরো আন্দোলন বুঝতেই ভুল ছিল, আর সেখানে দল সংযুক্ত না হওয়ায় পরিণতি খারাপ হয়েছে।
এদিকে সাংগঠনিক ব্যর্থতার কথা অস্বীকার করে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, অনেকে এ ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেননি। আর এটি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সেখানে ছাত্রদের সংশ্লিষ্টতা প্রাধান্য পেয়েছে। এখানে মূল সংগঠনের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া বা বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দলের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না।




