বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েকশ আন্দোলনকারীরা গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানের কয়েকটি জায়গায় আগুন লাগিয়ে দেয়।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বিটিভির চার নম্বর গেট ভেঙে কয়েকশ আন্দোলনকারী ভিতরে ঢুকে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার শিহাব সরকার বলেন, আমরা বিটিভি ভবনে অগ্নিসংযোগের খবর পেয়েছি। খবর পেয়ে আগুন নেভানোর জন্য আমাদের গাড়ি রওনা হয়। তবে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে গাড়ি বিটিভি পর্যন্ত যেতে পারেনি।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর বিটিভিতে কর্মরত কয়েকজন জানান, বিজিবি এসে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে পেরেছে। এখনও আগুন জ্বলছে।
শিহাব সরকার বলেন, রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা প্রায় আধঘণ্টা আমাদের গাড়ি আটকে রাখে। বিটিভি ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় আগুন দেওয়ার খবর পেয়েছি। গ্যারেজে আগুন লাগানো হয়েছে। কয়েকটি গাড়ি ও মোটর সাইকেলেও অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া গেছে।
আগুনের ঘটনায় পাঁচ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ফায়ার সার্ভিস ঢুকতে পারেনি। আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভেতরে আটকা পড়ে আছেন অনেকে।
বিটিভির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে লেখা হয়, বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি। ভিতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।
তিনি বলেন, তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সেটা এখনও জানা সম্ভব হয়নি। আমরা যেহেতু পারেনি সেজন্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিক বলতে পারছি না
বিটিভির পরিচালক (প্রশাসন) রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, নিচ তলার গ্যারেজসহ বিভিন্ন রুমে আগুন দিয়েছে। আগুন এখনও জ্বলছে। পুলিজ, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস কেউ এখনও আসেনি। আমরা ভেতরে আটকা আছি। পরিস্থিতি খারাপ। তবে এখন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অফিস ও আর্কাইভ নিরাপদ আছে। বাইরে শত শত বিক্ষোভকারী অবস্থান করছে।
বিটিভির ক্যানটিন, রিসিপশন ও গাড়িতে আগুন দিয়েছে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা।




