ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে আরও একজোড়া নতুন ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চাহিদার কারণেই এ রুটে আরও ট্রেন চালু করা হবে। এছাড়া, খুলনা-যশোর-মোংলা রুটেও নতুন কমিউটার ট্রেন চালু করা হবে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) রেলভবনে নির্ধারিত এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে নতুন এ ট্রেনের রেক তৈরি করা হবে কোরিয়ান কোচ দিয়ে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে এর চলাচল।
এ সময় রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে ট্রেনের ক্ষতিসাধন না করার আহ্বান জানান রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নাশকতার ঝুঁকি থেকেই সতর্কতা হিসেবে বাড়তি ইঞ্জিন পাঠানোর কারণে সময়সূচি ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বাড়তি ইঞ্জিন পাঠানো হচ্ছে নাশকতার শঙ্কা থেকে।
রাজনৈতিক সহিংসতার মাঝে রেলকে নিরাপদ করতে ২ হাজার ৭০০ আনসার সদস্যের আবেদন করেছে রেলওয়ে। পর্যাপ্ত লোকবল পেয়ে গেলে তখন রেলওয়ে আরও বেশি নিরাপদ হবে বলে জানান মন্ত্রী।
এদিকে, বুধবার বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকীর স্বাক্ষর করা এক চিঠিতে বলা হয়, পর্যটকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে সদ্য আমদানি করা কোরিয়ান কোচ দিয়ে আরও একজোড়া ননস্টপ আন্তঃনগর ট্রেন পরিচালনা করা যেতে পারে।
নতুন এ ট্রেনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে তিনটি। নামগুলো হচ্ছে: পালংকি এক্সপ্রেস, তরঙ্গ এক্সপ্রেস এবং প্রবাল এক্সপ্রেস। নতুন এ ট্রেনের নম্বর হবে ৮১৫ এবং ৮১৬। ট্রেনটি ৩২টি বগির ওপর ১৬টি কোচ নিয়ে চলবে। ট্রেনের আসন সংখ্যা হবে ৭৮০টি। রোববার থাকবে ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ।
প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেনটি (৮১৫) কক্সবাজার থেকে ছাড়বে রাত ৮টায়। চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১০টা ৫০ মিনিটে এবং ছাড়বে ১১টা ১৫ মিনিটে। ট্রেনটি বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে এবং ছাড়বে ৩টা ৫৩ মিনিটে এবং ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৪টায়।
এদিকে, ৮১৬ নম্বর ট্রেনটি ঢাকা ছাড়বে ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে। বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছাবে ভোর ৬টা ৩৮ মিনিটে এবং ছাড়বে ৬টা ৪৩ মিনিটে, চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ও ছাড়বে ১১টা ৪০ মিনিটে এবং কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছাবে বিকেল ৩টায়।



