ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ডে জামায়াত-শিবিরের তান্ডবের কারণে চট্টগ্রামে বুধ ও বৃহস্পতিবার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন। সোমবার দুপুরে এই খাতের বিভিন্ন সংগঠনের এক যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই দু’দিন তারা চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে যাত্রী পরিবহন ও ট্রাক-কাভার্ড ভ্যানে কোনো ধরনের পণ্য পরিবহন করবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
আন্ত:জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কপিল উদ্দিন বলেন, ‘সীতাকুন্ডে আন্দোলনের নামে পরিবহন শ্রমিকদের ওপর হামলা, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মালিক-শ্রমিক যৌথভাবে বুধ ও বৃহস্পতিবার পরিবহন ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই দুই দিন চট্টগ্রাম থেকে কোনো পরিবহন দেশের কোথাও যাবে না।’
আন্তঃজেলা মালামাল পরিবহন ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মুনির আহম্মেদ বলেন, ‘বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন মালিক সমিতির এ সিদ্ধান্তকে আমরা সমর্থন দিয়েছি। তাদের হাতে আমরা জিম্মি হয়ে পড়েছি। প্রশাসন যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য মালামাল পরিবহন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবো। বিক্ষোভকারীদের আগুনে কোটি কোটি টাকার গাড়ি পুড়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।’
রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে গাড়িকে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে বাস মালিক সমিতির নেতারা বলেন, ‘এই অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে সেবামূলক এই পরিবহন খাতটি।’
উল্লেখ্য, গত তিন দফার হরতালে ও জামায়াত নেতাদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুন্ডে প্রায় শতাধিক গাড়িতে আগুন দেয়া হয় এবং ভাঙচুর করা হয় পাঁচ শতাধিক গাড়ি।
চট্টগ্রামে বুধ ও বৃহস্পতিবার পরিবহন ধর্মঘটের ডাক



