তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ২২ সেপ্টেম্বর বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে সাফল্য ইত্যাদি বিষয়ে তুলে ধরবেন তিনি। নারী ক্ষমতায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে রোলমডেল হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। এবারের আয়োজনেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একাধিক সভায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের অর্জন এবং প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরবেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিরসনে সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগেরও আহবান জানাবেন।
এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীসহ উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন ব্যক্তিবর্গ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এছাড়া, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিতে পারেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে সেসকল দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা যায় । এছাড়া, সফর চলাকালীন জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক/আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার প্রধানগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন (জাতিসংঘের মহাসচিব, জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মহাসচিবের গণহত্যা বিষয়ক উপদেষ্টা, সদ্য নির্বাচিত আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক এবং International Atomic Energy Agency-এর মহাপরিচালক)।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের ৭৮তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান যেমন সুদৃঢ় করবে এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রকে বিস্তৃত করবে বলে আশা করা যায়।
নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবেন: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাম্ব্যাসেডর-অ্যাট-লার্জ খুরশীদ এ. চৌধূরী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।





