চট্টগ্রম বন্দরের বে-টার্মিনাল উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া পরিবহন খাতের প্রাক্টিস ম্যানেজার শৌমিক রাজ মেহ্নদিরত্ত। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে এ আশ্বাস দেন তিনি। শৌমিক রাজ বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন স্থলবন্দরের অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন ও অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বেনাপোল, বুড়িমারী ও ভোমরা স্থলবন্দরগুলোর অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন ও অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়ন ও চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালের উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মিলে বিভিন্ন সমস্যা যৌথভাবে সমাধান করা হয়েছে। এতে বিশ্বব্যাংকের সর্বাত্মক সহযোগিতা পাওয়া গেছে।’
ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের সব স্থলবন্দর অটোমেশন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চান খালিদ মাহমুদ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছয় কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর হালিশহরে বে-টার্মিনালের অবস্থান। বে-টার্মিনাল থেকে বহির্নোঙরের দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার ও চ্যানেলের প্রশস্থতা ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মিটার। বে-টার্মিনালকে বৈরী আবহাওয়া ও সাগরের বড় ঢেউ থেকে রক্ষা করতে একটি পাঁচ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ব্রেক ওয়াটার নির্মাণ করা হবে। যেটি ওই এলাকায় অবস্থিত ডুবোচরের ওপর নির্মাণ করা হবে।
এ ছাড়া বে-টার্মিনাল হলে ২৪ ঘণ্টাই জাহাজ ভিড়তে পারবে। বে-টার্মিনাল চ্যানেলে কোনো বাঁক থাকবে না ও যথোপযুক্ত নাব্য থাকায় সেখানে ১০ থেকে ১২ মিটার গভীরতার সর্বোচ্চ ৬ হাজার ‘টিইইউজ’ বহনকারী জাহাজ বন্দরে ভেড়ানো সম্ভব হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. রফিকুল ইসলাম খান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশন্স অফিসার এরিক নোরা, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর দিলশাদ দোসানি, ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট বিকেএম আশরাফুল ইসলাম ও নুসরাত নাহিদ ববি।




