শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রচ্ছদঅর্থ ও বানিজ্য সময়আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা

আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলা

দেড় কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক বদিউর রহমানের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল থানায় দুদকের উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তার বিরুদ্ধে এম এস এরিয়েল মেরিটাইম প্রাইভেট লিমিটেড নামীয় একটি কোম্পানির মাধ্যমে ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার অর্থাত্ ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বদিউর রহমান ১৯৯৫ সাল থেকে অদ্যাবধি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লি: (বাংলাদেশ) এর পরিচালক হিসেবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত উক্ত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালীন ২০০৩ সালে তিনি সিঙ্গাপুরে এম এস এরিয়েল মেরিটাইম প্রাইভেট লিমিটেড নামীয় কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটি তিনজন পরিচালক নিয়ে (দুজন শেয়ার হোল্ডারসহ) যাত্রা শুরু করে। অনুমোদিত মূলধন ১০ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার ও পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার। এর মধ্যে বদিউর রহমান কর্তৃক বিনিয়োগকৃত মূলধনের পরিমাণ ২৫ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা (২০০৩ সাল)। ২০০৪ সাল থেকে উক্ত কোম্পানির একক মালিকানা অর্জন করে পরিচালনা করে আসছেন এবং এ সময়ে উক্ত কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পেয়ে ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলারে উন্নীত হয়। অর্থাত্ এ সময়ে উক্ত ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা বর্ণিত সিঙ্গাপুরস্থ কোম্পানির মূলধন বাবদ বদিউর রহমান কর্তৃক বিনিয়োগ করা হয়। উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে তার মূলধনের বৈধ উত্স বিষয়ে বদিউর রহমান গ্রহণযোগ্য কোনো প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেননি। অর্থাত্ তিনি উক্ত অপরাধলব্ধ আয় ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকার প্রকৃতি, উত্স, অবস্থান, মালিকানা গোপন করেছেন। এবং দেশে বিদ্যমান আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এ টাকা তিনি সিঙ্গাপুরে পাচার করে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ