চট্টগ্রাম অফিস (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেছে গণপরিবহন হিউম্যান হলারের শ্রমিকেরা। সোমবার সমঝোতা বৈঠকের মাধ্যমে এ বিষয়ে সমাধানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পটিয়া আনোয়ারা চন্দনাইশ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুনুর রশিদ।
তিনি বলেন, হিউম্যান হলার নগরীতে প্রবেশে বাধা দেয়ার প্রতিবাদে রোববার সকালে তারা আধাঘণ্টার সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করে। এরপর দাবি মেনে নেয়ায় অবরোধ প্রত্যাহার করে শ্রমিকরা। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আবারো গাড়ি প্রবেশে বাধা দিলে সাড়ে ১২টা থেকে অবরোধ শুরু করে শ্রমিকরা।
এসময় তারা পটিয়া শান্তিরহাট ও মইজ্জারটেক এলাকায় গাছের গুড়ি ও টায়ায় জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। এতে মহাসড়ক দিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা এবং কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বিকল্প পথে আরাকান সড়ক দিয়ে কিছু যানবাহন চলাচল করলেও তা পটিয়া অতিক্রম করতে পারছেনা। গাড়ি না পেয়ে পথে পথে দুর্ভোগ পোহাতে হয় কয়েকহাজার যাত্রীকে। এছাড়া মহাসড়কজুড়ে তীব্র যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের উভয় পাশে শত, শত যানবাহন আটকা পড়েছে। হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা গত চার বছর ধরে পটিয়া থেকে নগরীর কর্ণফুলী সেতুর দক্ষিণ পাশ পর্যন্ত গাড়ি চালিয়ে আসছি। কিন্তু কয়েকদিন ধরে আমাদের গাড়ি চলাচলে বাধা দেয় প্রশাসন।
তিনি বলেন, রোববার সকালে গাড়ি প্রবেশে বাধার প্রতিবাদে সকাল ১১টায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করলে প্রশাসন গাড়ি চলাচলে বাধা না দেয়ার আশ্বাস দেয়। এরপর আমরা অবরোধ তুলে নেই। কিন্তু বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবারো গাড়ি প্রবেশে বাধা দেয় এবং চালকদের মারধর করে। এরপর প্রতিবাদে আমরা আবারো বেলা সাড়ে ১২টা থেকে অবরোধ শুরু করি। পরে প্রশাসন সোমবার বৈঠক করে সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করি। অবশ্য এজন্য তিনি বাস মালিকদের দায়ী করে বলেন, বাস মালিকদের ইন্ধনে প্রশাসন একাজ করছে।
পটিয়া থানার ওসি মফিজ উদ্দিন বলেন, সোমবার উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা। বিকেল তিনটা থেকে গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।




