এক নারী ব্যাংকারকে জোর করে বিয়ে ও সম্পর্ক গোপন রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানকে ডিএমপি থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে। ০৯ জানুয়ারি ডিএমপির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
০৮ জানুয়ারি বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যত বড় কর্মকর্তাই হোক, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। তিনি যদি এমন গর্হিত কাজ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে আইজিপির নেতৃত্বে শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠিত হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। ওই ব্যাংকার নারী একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া তার সাক্ষাৎকারে জানান, গত জুলাই মাসে তার বাসা থেকে তাকে কৌশলে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে। আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মাকে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে একসঙ্গে বসবাস করেছেন ডিআইজি মিজান।
নিজের ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি শেয়ারের পর ওই নারীর ওপর ক্ষেপে যান মিজান। বাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। দুই মামলাতেই জামিনের পর ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলেন ওই নারী।




