পুলিশি হয়রানি বন্ধ, অনুমোদন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের গণপরিবহন ধর্মঘট করছে গাড়িমালিকদের একাংশ। এতে ৩ ডিসেম্বর সকাল ছয়টা থেকে দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসমুখো মানুষ।
চট্টগ্রাম মেট্রো গণপরিবহন মালিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক পরিচয় দিয়ে বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, বাস, মিনিবাস, হিউম্যান হলার, টেম্পুসহ সব ধরনের গণপরিবহন ধর্মঘটের আওতায় রয়েছে। আমাদের পরিষদের অধীনে দেড় হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে। এসব গাড়ি পরবর্তী দাবি আদায়ের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত চলবে না।
যাত্রীর তুলনায় গাড়ির সংকট থাকলে কিছু কিছু গণপরিবহন চলাচল করা প্রসঙ্গে বেলায়েত হোসেন বলেন, লুসাই মোটরসের গাড়িগুলো চলছে। আমাদের আন্দোলন তাদের অবৈধ গাড়ি, রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি, নির্দিষ্ট রুটের বাইরে চলাচলরত গাড়ি বন্ধের দাবিতে। এখন তাদের কারণে গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা এর থেকে মুক্তি চাই। আমরা ১১ দফা দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।




