শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদটপনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় বিএনপি

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় বিএনপি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিএনপি ২০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় তাঁর দল। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এমন অবস্থানের কথা জানান ফখরুল। এর আগে বেলা ১১টার পর ইসির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর ২টার দিকে।

সংলাপ শেষে বিএনপির মহাসচিব সাংবাদিকদের জানান, তাঁরা নির্বাচন কমিশনকে যে ২০টি প্রস্তাব দিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করা, মৃত ব্যক্তিদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, নির্বাচন কেন্দ্রগুলোর কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচন কমিশনের আওতায় নতুন কমিটি দেওয়ার মতো বিষয়গুলো। ফখরুল জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদা তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পেরে সন্তুষ্ট। তিনি বিএনপির প্রস্তাবগুলো ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনকে ২০ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় বিএনপি। এ সময় তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নুরুল হুদা বিএনপির সঙ্গে কথা বলতে পেরে সন্তুষ্ট। তিনি বিএনপির প্রস্তাবগুলো ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।  বিএনপির প্রস্তাব সমূহ :

নির্বাচনে কোনো ইভিএম/ভিভিএম ব্যবহার করা যাবে না। মৃত ভোটারদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। প্রবাসী ও কারাগারে বন্দীদের ভোটার তালিকায় অন্তভূক্ত করতে হবে। ছবিসহ অভিন্ন ভোটার তালিকা এজেন্ট ও সংশ্লিষ্টদের সরবরাহ করতে হবে। সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাপের মাধ্যমে তা করতে হবে। নির্বাচনের সময়ে অধিক সংখ্যক বিদেশী পর্যবেক্ষকদের এদেশে আসাকে উৎসাহিত করতে হবে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন বাধা দূরে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এছাড়া এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চালু করতে হবে এবং সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে।  ব্যালট পেপারে জলছাপ থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেসরকারি ফল প্রকাশ করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

প্রস্তাবে আরো রয়েছে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে একক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে। বন্ধ গণমাধ্যমগুলো চালু করতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর নেটওয়ার্ক সচল রাখতে হবে। সিসি ক্যামেরা (ক্লোজ সার্কিট) স্থাপন করতে হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ