হাসপাতালটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাকে প্রধান করে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোছাম্মৎ সোমাইয়া আফরিন নামের এক মা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এতে বলা হয়, ০২ অক্টোবর তার সন্তান জন্মদানের তারিখ ছিল। ভোর চারটা ২৫ মিনিটে তিনি বেসরকারি নাজিরহাট কেয়ার পয়েন্ট হাসপাতালে যান। ডাক্তার তাকে বলে, অক্সিজেন দিতে হবে এবং এখনি ভর্তি হতে হবে। তিনি ভর্তি হয়ে যান। সকাল সাতটা ৫০ মিনিটে প্রসবব্যথা উঠলে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি সন্তান প্রসব করেন। এ সময় গর্ভে সন্তানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান ডাক্তাররা।
সোমাইয়া আফরিন বলেন, কেয়ার পয়েন্ট হাসপাতালে প্রসবের আগে আমাকে জানানো হয়েছিল সব কিছু ঠিক আছে। প্রসবের পর জানায়, আমার বাচ্চা নাকি দুদিন আগে গর্ভে মারা গেছে। যখন আমি তর্ক-বিতর্ক করি তখন বলে প্রসবের আট ঘণ্টা আগে মারা গেছে। তারা আরও বলে বাচ্চার নাক, নাভি, হাত নাকি কালো হয়ে গেছে। কিন্তু পরে দেখি সব ঠিক ছিল।
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, নয় মাস গর্ভে সন্তান ধারণ করে সন্তান কোলে নিতে পারলাম না ডাক্তার-নার্সদের অবহেলার কারণে। আমি চাই আর কোনো মায়ের কোল যেন খালি না হয়।




