স্পোর্টস ডেস্ক (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
ক্যারিবীয় দ্বীপে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাটিং পারফরমেন্সে বেশ ঘাটতি দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের এই তারকার। তবুও ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) সেমিফাইনালে দলকে নিয়ে যেতে তার অবদান অনস্বীকার্য। সেখানেই তিনি বল হাতে করেছেন টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় সেরা পারফরমেন্স। শিরোপা জিততে আরও দুটি বাধা পেরোতে হবে তার দল বারবাডোজ ট্রাইডেন্টসকে। এই সময়ে ব্যাট হাতেও রান পেতে মরিয়া সাকিব।
শুক্রবার পোর্ট অব স্পেনে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জ্যামাইকা তাল্লাওয়াহসের মুখোমুখি হচ্ছে বারবাডোজ। এই ম্যাচকে সামনে রেখে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার বললেন,‘ব্যাটিংয়ে আমার দুরবস্থা। তবুও আমাকে সতীর্থরা সমর্থন দেয়। কারণ তারা সবসময় আমাকে বলে ক্যারিবীয় পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া খুব সহজ কাজ নয়।’
ছয় ইনিংসে মাত্র ৩.৬৬ গড়ে রান করেছেন সাকিব। সর্বোচ্চ ১২ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। তবে বল হাতে ১১ উইকেট নিয়ে শীর্ষে বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। এর মধ্যে ব্রিজটাউনে ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো রেড স্টিলের বিপক্ষে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় সেরা ৬ রানে ৬ উইকেট।
বারবাডোজ প্রথম পর্বের শেষ তিনটি ম্যাচই হেরে গেলেও সাকিবের বিশ্বাস সেমিফাইনালে ঘুরে দাঁড়াবে দল। প্রথম চারটি ম্যাচ জেতার আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে দলে,‘এটা নতুন একটা খেলা। প্রথম পর্বে যা হয়েছে তা হয়েই গেছে। এখন আমরা সেমিতে। আবারও সবাই ঘুরে দাঁড়াতে চাই। আমি জানি আমাদের দলে প্রতিভা আছে। ট্রফি জিততেও যথেষ্ঠ আত্মবিশ্বাসী আমরা। আমি শিরোপা চাই। এখানে আমার লক্ষ্য এটাই। জ্যামাইকা প্রথম বাধা, কিন্তু আমরা প্রস্তুত।’
জাতীয় দলের সতীর্থ তামিম ইকবালও খেলেছেন সেন্ট লুসিয়া জুকসের হয়ে। এই লিগ ব্যক্তিগত পারফরমেন্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সাকিব,‘অক্টোবরে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ আয়োজন করছে। এই সিরিজকে সামনে রেখে বিশাল অনুশীলন হয়ে গেল আমার। ক্যারিবীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে আমার অতীত অভিজ্ঞতা আদান প্রদান করেছি। আমার দেশের অন্য খেলোয়াড়রাও এই টুর্নামেন্টে যোগ দিতে পারলে ভালো হবে। কাইরন পোলার্ড, শোয়েব মালিকের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলে আমি অনেক কিছু শিখেছি। ক্যাম্পের প্রত্যেকের কাছ থেকেই শেখার ছিল।’
বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়েও কথা বললেন ২৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা সাকিব। সাবেক অধিনায়কের মতে দেশের ক্রিকেট সঠিক পথে এগোচ্ছে,‘আমরা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পাচ্ছি। বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের আরও বেশি একাডেমি, বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো হওয়া উচিত। এছাড়া অনেক বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা দরকার। তবে আমরা সফল হওয়ার পথে আছি। বিশ্বের কাছে আমি বাংলাদেশকে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে চাই। আমি যে অবস্থায় আছি তাতে করে অনুপ্রেরণা পাই।’




