শিগগিরই ‘শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের ডাক’ আসবে জানিয়ে সমমনা দলগুলোকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান। রোববার দুপুরে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য দাবি করেন, জনগণ পরিবর্তন চায় এবং বিএনপিকেই তারা ‘বিকল্প’ মনে করে। বিএনপি ও অন্যদলগুলো, সবার কাছে আমি বলব, এটা আমাদের অনিবার্য্ দায়িত্ব হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমাদেরকে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, “সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে দলকে আরও সংহত করার চেষ্টা হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, শিগগিরিই ডাক আসবে। সবার কাছে আমার অনুরোধ, প্রস্তুতি নিন সেই গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের অংশগ্রহণ করার জন্য। সেই লড়াই হবে বিজয়ের লড়াই। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ঢাকাস্থ সিরাজগঞ্জ ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ব্যানারে এই আলোচনা সভা হয়।
টুকু তিনটি মামলায় গত ১০ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ২০১০ সালের ১১ অক্টোবর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সায়দাবাদের মুলিবাড়িতে খালেদা জিয়ার জনসমাবেশের কাছে ট্রেনে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, ট্রেনে কাটা পড়ে ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় ওই মামলাগুলো হয়।
নজরুল ইসলাম খান আলোচনাসভায় বলেন, ‘‘জনগণ যে কষ্টে আছে, তার গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে, জিনিসপত্রের দাম যে হারে বাড়ছে, চাল-ডাল-নুনের দাম যে হারে বাড়ছে, সাধারণ মানুষ চলতে পারছে না। তারা পরিবর্তন চাইছে। তিনি বলেন, “ভূমিকম্পের ওপর ছেড়ে দেওয়া তো চলবে না। আমাদের নিজেদের চেষ্টা করতে হবে, উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের লড়াই হবে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক লড়াই। সেই লড়াইয়ে জনগণ আমাদের পক্ষে থাকবে।
বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল খালেকসহ ঢাকায় সিরাজগঞ্জের সাবেক ছাত্র দলনেতারা নেতারা আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন।




