বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রচ্ছদটপশিশু হত্যায় ভগ্নিপতিসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

শিশু হত্যায় ভগ্নিপতিসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় শিশু মাহফুজুর রহমান অলি (৮) হত্যা মামলায় ভগ্নিপতি সাহেব আলী ও মুকুল হোসেনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অপর আসামি মো. রাসেলের যাবজ্জীবন কমিয়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে এসব দণ্ডাদেশ দেন। আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন এ এফ এম মেজবাহ উদ্দিন, এস এম আবদুল মুবিন ও শরিফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোরশেদ।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ হোসেন  বলেন, সম্পত্তির লোভে ভগ্নিপতি সাহেব আলী পরিকল্পিতভাবে অলিকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিম্ন আদালতের রায় হাইকোর্ট বহাল রেখেছেন। একজনকে যাবজ্জীবনের পরিবর্তে দণ্ড কমিয়েছেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মোহনপুর উপজেলার আবদুর রবের ছেলে মাহফুজুর রহমান অলি ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল স্কুল থেকে নিখোঁজ হয়। এর কয়েক দিন পর জানা যায়, আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় আসামি রাসেল তাকে স্কুল থেকে সাইকেলে করে নিয়ে যায়।পরবর্তী সময়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মোহনপুরের একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২৭ এপ্রিল দিবাগত রাতেই অলির বাবা আবদুর রব বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় সাহেব আলী, মো. মুকুল হোসেন ও রাসেলকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাহেব আলী তার শ্বশুরের অর্থ আত্মসাৎ করতে শ্যালককে হত্যা করে। এ ঘটনায় রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি সাহেব আলী ও মুকুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। আসামি রাসেলকে যাবজ্জীবন দেন। উচ্চ আদালত আজ এ ঘটনায় করা আপিল খারিজ করে দিয়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ