‘আসেম’র ২০ বছর: কানেকটিভিটির মাধ্যমে ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব’ এ স্লোগানে শুরু হয়েছে এগারোতম এশিয়া-ইউরোপ সম্মেলন (আসেম)। সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৫ জুলাই সকালে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে সানগ্রি-লা হোটেলে আসেম সম্মেলন শুরু হয়। আসেম ভুক্ত ৫১টি দেশ। এর মধ্যে ৩০টি ইউরোপিয়ান ও ২১টি এশিয়ান দেশ এবং দুটি আন্তঃসরকার সংগঠনের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এ সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনে ১১টি দেশের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩টি দেশের প্রধানমন্ত্রী, ১৬ জন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ও ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট এবং অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান ন্যাশনস এর সেক্রেটারি জেনারেল দুই দিনের এ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে যোগ দিতে ১৪ জুলাই মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালীন সময়ে তিনি আসেম ভিলায় অবস্থান করছেন। আসেম ভিলা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনস্থল সানগ্রি-লা হোটেলে পৌঁছালে মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট সাখিয়াগিন এলবেগদোর্জ তাকে অভ্যর্থনা জানান। আসেম সম্মেলনে মঙ্গোলিয়া এবং মঙ্গোলিয়ার মানুষ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। যেটি এখন বিশ্বের স্পটলাইট। এ বক্তব্যের মাধ্যমে মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্মেলন শুরু করেন।
তিনি বলেন, এ সম্মেলন আসেম এর ২০ বছর ফুর্তি এবং সমানুপাতিক ভাবে মঙ্গোলিয়ার ঐতিহাসিক ৮১০তম বার্ষিকী চিহ্ন। এ কারণে এই সম্মেলনকে বিশেষ তাৎপর্যের সঙ্গে দেখছে মঙ্গোলিয়া। সম্মেলনের উদ্ধোধনী সেশনে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট, স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো, নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুরেই ম্যাককুলি অন্যাদের মাঝে বক্তব্য রাখেন। এশিয়া-ইউরোপ পার্লামেন্টরি পার্টনারশিপ, এশিয়া ইউরোপ পিপল্স ফোরাম, এশিয়া-ইউরোপ বিসনেস ফোরাম এবং মডেল আসেম এই চারটি ফোরামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১তম আসেম এর উদ্ধোধনী সেশন। অংশীদারিত্বে দুই দশক: সম্ভবনা পর্যালোচনা ও আগামীর অন্বেষণ’ এবং ‘বৃহত্তর কানেকটিভিটির জন্য আসেম অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি’ শীর্ষক দুটি প্লেনারি সেশন অনুষ্ঠিত হয় সম্মেলনে। ‘বৃহত্তর কানেকটিভি’র জন্য আসেম অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি’ এর ওপর দ্বিতীয় প্লেনারি সেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন। প্রথম সেশনে গত ২০ বছরে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে পলিটিক্যাল ডায়ালগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় পর্যালোচনা করা হবে দ্বিতীয় সেশনে দুই মহাদেশের মধ্যে কানেকটিভিটি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। আগামীকাল উলানবাটর ঘোষণার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এগারোতম আসেম সম্মেলন।




