রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় হামলার পর অভিযানে নিহত ৫ জঙ্গির ডিএনএ পরীক্ষা এবং তাদের অস্থি-মজ্জা, রক্তমাখা জামা-কাপড় আলামত হিসেবে জব্দ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। জঙ্গিরা হলেন- মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, খায়রুল ইসলাম পায়েল ও সফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল। ১১ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন নবীর আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মেট্রোপলিটন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর সিএমএম আদালতে এ আবেদন জানান।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত ও তথ্য প্রসিকিউশন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-কমিশনার আমিনুর রহমান বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে মৃত ৫ জঙ্গির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের অস্থি-মজ্জা সংরক্ষণের আবেদন জানানো হয়। এজন্য পরিবারের সদস্য এবং ৫ জঙ্গির ডিএনএ এর নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানানো হয়। এছাড়া জঙ্গিদের রক্ত, চুল ও জামাকাপড় আলামত হিসেবে জব্দ করার আবেদন করা হয়। আদালত এসব আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে গত ০১ জুলাই রাতের বিভিন্ন সময়ে জঙ্গিরা তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেন। নিহতদের মধ্যে ১৭ জন বিদেশি নাগরিক। পরদিন ভোরে যৌথ বাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্ট অভিযানে পাঁচজন জঙ্গি নিহত হন। অভিযানে একজন জাপানি, দু’জন শ্রীলঙ্কানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।




