রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনচট্টগ্রামে সকাল থেকে দেখা নেই সূর্যের, থেমে থেমে পড়ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

চট্টগ্রামে সকাল থেকে দেখা নেই সূর্যের, থেমে থেমে পড়ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও বইছে উত্তুরে হাওয়া। সকাল থেকে দেখা নেই সূর্যের। থেমে থেমে পড়ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও। ‍সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় রাস্তাঘাট কিছুটা ফাঁকা। তারপরও জরুরি প্রয়োজনে শীতের কাপড় পড়ে, ছাতা হাতে, রেইন কোট পরে বেরিয়েছেন অনেকে। খেটে খাওয়া মানুষ কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ছুটছে কর্মস্থলে। পতেঙ্গার প্রধান আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম শুক্রবার পৌনে ১১টায়  জানান, সকাল নয়টায় পতেঙ্গায় সর্বনিম্ন ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি জানান, দুপুরের পরেও কিছু সময় হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। তবে চট্টগ্রামে তীব্র শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা কম।

আসকার দীঘির পশ্চিম পাড়ে টেম্পুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা নাসরিন জাহান। তিনি বলেন, রাতভর কনকনে শীত পড়েছে। সকাল থেকে সূর্যের দেখা নেই। অফিসে অনেক ফাইল জমে গেছে। তাই তীব্র শীত, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছি। বুধবার থেকে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে কমতে থাকা তাপমাত্রা বৃহস্পতিবার ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীর কালাগাছি এলাকায়। সারা দেশের সাথে মিল রেখে বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলেও তাপমাত্রার পারদ কমতে থাকে।

বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি ও সন্দ্বীপে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা কমার এ অব্যাহত হার শুক্রবারের পর কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। একজন আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, এ মাসের শেষার্ধে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। আর একেকটি শৈত্যপ্রবাহ কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচদিন অব্যাহত থাকে। এদিকে আবহাওয়া অফিস তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে ময়মনসিংহ, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, শ্রীমঙ্গল, রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসহ রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপাত্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৭, টাঙ্গাইলে ৯, ময়মনসিংহে ৯ দশমিক ১, যশোরে ৯ দশমিক ৪, ঈশ্বরদি ও গোপালগঞ্জে ৯ দশমিক ৫, দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৬, নেত্রকোনা, রংপুর ও বগুড়ায় ১০, মাদারীপুরে ১০ দশমিক ২, রাজশাহীতে ও রাজশাহীর তারাশে ১০ দশমিক ৩, ফরিদপুরে ১০ দশমিক ৪, সাতক্ষীরায় ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। অপরদিকে চট্টগ্রামে গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদদের মতে, বছরের এ সময়ে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীতের তীব্রতা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া চলতি মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের উপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে বলে আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ