পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় গত দু’মাস আগে হালিমা আক্তার নামে ওই গার্মেন্টকর্মী দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় চুন্নু মিয়ার বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেন এবং বসবাস শুরু করেন। পরে স্থানীয় মাহমুদ ডেনিস নামের একটি পোশাক তৈরির কারখানায় চাকরি নেয় হালিমা আক্তার। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অমিল থাকায় হালিমা আক্তার একাই সন্তান নিয়ে এখানে বসবাস শুরু করেন। এর মধ্যে স্বামী রায়হানকে বাড়ির লোকজন কখনো দেখেনি। স্ত্রী হালিমার সঙ্গে পারিবারিক কলহের জের ধরে রায়হান শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি ধারালো চাকু নিয়ে ভাড়া বাসার কাছে অপেক্ষা করতে থাকে। হালিমা আক্তার রাতের কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে স্বামী তাকে জাপটে ধরে ধারালো চাকু দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে। ওই সময় তার বড় মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও চাকু দিয়ে কোপাতে গেলে মেয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্ত্রী হালিমা আক্তারকে খুন করে রায়হান নিজেই পেটের নিচে চাকু ঢুকিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা করে। কালিয়কৈর থানার ওসি মোতালেব মিয়া জানান, পারিবারিক কলহে জেরে স্ত্রীকে হত্যা করে স্বামী আত্মহত্যা করেছে।
গাজীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর পূর্বপাড়া এলাকায় স্বামী তার স্ত্রীকে খুন করে নিজে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার চুন্নু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী রায়হান (৩৮) স্ত্রী হালিমা বেগমকে (৩০) ছুরিকাঘাতে খুন করে। স্ত্রীর দেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে রায়হান নিজেই ওই ছুরি দিয়ে নিজের পেটে আঘাত করলে সেও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এলাকাবাসী স্বামী ও স্ত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয় সফিপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। আত্মঘাতী রায়হান দিনাজপুর জেলার, নবাবগঞ্জ থানার তিলাপাড়া এলাকার আত্তাব আলীর ছেলে। তার স্ত্রী হালিমা দিনাজপুর জেলার দিরামপুর থানার হোসেনপুর এলাকার আমিনুল ইসলামের মেয়ে।



