এদিকে কোকোর মৃত্যুর খবরে এরইমধ্যে আত্বীয়-স্বজনেরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার গুলশানের কার্যালয়ে আসা শুরু করেছেন। আসছেন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠিনের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে। এসব শোক বার্তায় তার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।
২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল হোসেন রোডের বাড়ি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেফতার করে যৌথ বাহিনী। এরপর ২০০৮ সালের মে মাসে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। তারপর থেকে তিনি বিদেশেই অবস্থান করছিলেন। স্ত্রী ও ২ মেয়ে তার সঙ্গে বিদেশেই অবস্থান করছিলেন। আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। একটি মামলায় তার অনুপস্থিতিতে ২০১১ সালে তার ৬ বছরের সাজাও হয়।




