৫০ রানেই প্রথম চার উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন চাকাবায়া এবং দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা সলোমন মিরে। ৬৫ রানের জুটি গড়ে আল আমিন হোসেনের বলে মাশরাফির অসাধারণ এক ক্যাচে বিদায় নেন ৩২ রান করা চাকাবায়া। এরপর মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নেমে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক করে সাকিবের বলে আরাফাত সানির হাতে ধরা পড়েন সলোমন মিরে (৫০ রান)। সাব্বির রহমানের দারুণ এক থ্রোতে ৩৮ রান করে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের বোলারদের ভয় দেখানো চিগুম্বুরা। এরপর আরাফাত সানি বোল্ড করে ফেরান তিনাসে পানিয়াঙ্গারাকে। এরপর একই ওভারে তিনি নাইম্বু এবং কামুনগোজিকেও বোল্ড করেন।
সিরিজের লিড বাড়াতে আজকের ম্যাচে জয় ভিন্ন কিছু চিন্তা করেনি মাশরাফি বাহিনী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন মাশরাফি বিন মর্তুজা। স্বাগতিকদের হয়ে ৯.৫ ওভার বল করে ২৯ রানের খরচায় সর্বোচ্চ চার উইকেট পান আরাফাত সানি। এর আগে জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করা স্বাগতিক বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে করে ২৫১ রান। ফলে, সিরিজে সমতা আনতে হলে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে করতে হত ২৫২ রান। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে ওপেনার আনামুল হক বিজয়ের ব্যাট থেকে। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক হাঁকিয়ে করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৮০ রান। ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক থেকে ২০ রান দূরে থাকতে তিনি ১১০ বলে ৫টি চার আর একটি ছক্কা হাঁকিয়ে বিদায় নেন।
এছাড়া আরেক ওপেনার তামিম ইকবাল করেন ৭৬ রান। বাঁহাতি তামিম আনামুলের সঙ্গে ১৫৮ রানের জুটি গড়ে ৯৮ বলে ৭টি চার আর একটি ছক্কা হাঁকান। মুশফিকুর রহিম ২৭ রান করেন। আর সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৩ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মুমিনুল হক। প্রথম ওয়ানডেতে সাকিব আল হাসানের অসাধারণ অলরাউন্ড পারফর্মে ৮৭ রানে জয় পায় টাইগাররা। ফলে, এগিয়ে থেকেই নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামে মাশরাফি বাহিনী।




