এর আগে ২০১০ সালে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছি। কিন্তু জুন মাসে রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংঘাতের ফলে এ প্রক্রিয়া থেমে যায়। এছাড়াও বৈঠকে শান্তিপূর্ণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ইয়াবা চোরাচালান বন্ধসহ অমীমাংসীত বিষয় গুরুত্ব পাবে। জানা যায়, কক্সবাজারের দুটি শরণার্থী শিবিরে মোট ৩০ হাজার তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গা রয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার ও বান্দরবন এলাকায় প্রায় ৫ লাখ অতালিকাভুক্ত অনু্প্রবেশকারী রোহিঙ্গা রয়েছে।
এদিকে, গত শুক্রবার মায়ানমারের সরকার নতুন আদমশুমারির ফলাফল ঘোষণা করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ১৯৮৩ সালের পর মায়ানমারের মানুষ কমেছে প্রায় ৯০ লাখ। সে সময় ৬ কোটি মানুষ ছিল। এখন মায়ানমারের লোক সংখ্যা ৫ কোটি ১০ লাখ। রাখাইন প্রদেশের মুসলিম সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ও কোচিন প্রদেশের জাতিগত বিদ্রোহীদের আদমশুমারিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে দেশটি জানিয়েছে, তারা মায়ানমারের বৈধ নাগরিক নয়। তারা জাতিতে বাঙালি, তারা বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে এসেছে।




