দাবি মেনে নেয়ায় চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে ছাত্রলীগ। এতে আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অচল থাকা রেল স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেন।
বৈঠকে এছাড়াও পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মুরাদ হোসেন জানান, বৈঠকে ছাত্রলীগকে সমাবেশে যাওয়ার টিকেট দেওয়ার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া, টিকেট না দেয়া ও ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের ঘটনায় স্টেশন মাস্টার, এক বুকিং ক্লার্ক এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) তিন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন স্টেশন মাস্টার জাফর আলম, বুকিং ক্লার্ক মো. মহসিন, আরএনবি সদস্য মনির হোসেন, মো. হাবিব ও মো. সাব্বির। এছাড়াও, চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি ইয়াছিন ফারুককে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার তদন্তে বিভাগীয় পরিবহণ কর্মকর্তা (ডিটিও) ফিরোজ ইফতেখারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, বিভাগীয় প্রকৌশলী (২) তরুণ কান্তি বালা, ডিএসটিই শশী কুমার হাজারী, রেল কমান্ড্যান্ট (আরএনবি) আবদুর রাজ্জাক ও বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) মিজানুর রহমান। রেলওয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদুর রহমান জানান, রাত সাড়ে ১০টার পূর্বে কোন ট্রেন না থাকায় কোন শিডিওল বিপর্যয় হয়নি।




