রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়নির্ধারিত সময়ে কমলাপুরে ট্রেন ফেরত না আসায় শিডিউল ঠিক থাকছে না ট্রেনের

নির্ধারিত সময়ে কমলাপুরে ট্রেন ফেরত না আসায় শিডিউল ঠিক থাকছে না ট্রেনের

নির্ধারিত সময়ে কমলাপুরে ট্রেন ফেরত না আসায় শিডিউল ঠিক থাকছে না ট্রেনের। আর এতে রেলস্টেশনে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরগামী যাত্রীরা।  সন্ধ্যা নাগাদ ট্রেন ছাড়তে পারে কিনা তারও কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না রেলস্টেশনের কর্মকর্তারা। রোববার সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩০টি ট্রেন কমলাপুর ছেড়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীগামী ধূমকেতু ও চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী যথাক্রমে তিন ঘণ্টা ও দেড় ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। এছাড়া বাকি ট্রেন ট্রেনগুলোর বেশিরভাগই সময় মতো ছেড়েছে। কোনো কোনো ট্রেন ছাড়তে আধঘণ্টা, পৌনে একঘণ্টাও বিলম্ব হয়েছে।

দুপুরের পর থেকেই মারাত্মক শিডিউল বিপর্যয় ঘটে রেলে। রাজশাহীগামী সিল্কসিটি দুপুর ২ টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছাবে বলে জানা গেছে। এই ট্রেনের যাত্রীরা প্লাটফর্মে ঘণ্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছেন।

এ ব্যাপারে রেলে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, সিল্কসিটি ট্রেনটি শনিবার কমলাপুর থেকে দেড়ঘণ্টা বিলম্ব করে ছেড়ে যায়। আবার রাজশাহী থেকে বিলম্ব করে রওয়ানা হয়েছে। পথে পথে অতিরক্ত সময় যাত্রা বিরতির কারণে শিডিউল বিপর্যয় বলে জানান তিনি। এছাড়া বিলম্ব করে ছাড়ছে উপকূল ট্রেন। এটি ৩টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও ৪ টায়ও ছাড়েনি। সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন ৩ টায় ছাড়ার কথা কিন্তু সেটি সাড়ে ৩ টায়। কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান করে দেখা গেছে, সকাল থেকে একের পর এক ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার সাখাওয়াত হাসান জানান, ঈদে বাড়তি চাপের কারণে এই বিলম্ব হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রেনগুলো কমলাপুর পৌঁছাতে দেরি করায় ছাড়তে দেরি হচ্ছে।  তবে এতে ট্রেন জট তৈরি হবে না বলে জানান তিনি। স্টেশন সূত্র জানায়, দুপুরের ট্রেন যদি সন্ধ্যায় আসে স্টেশন ছাড়তে আরও দেরি হবে। এ অবস্থায় রোববার সন্ধ্যা নাগার ট্রেনের জট তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে দুপুরের পর থেকে মারাত্মক শিডিউল বিপর্যয়ে কারণে যাত্রী ভোগান্তি বেড়েছে। প্লাটফর্মে কয়েকহাজার যাত্রী অপেক্ষারত অবস্থায় দেখা গেছে। এদিকে অন্যদিনের চেয়ে স্টেশনে ভিড় বেড়েছে। উপচেপড়া ভিড় ঠেলে ট্রেনে গাদাগাদি করে ঠাঁই নিচ্ছেন অনেকে। আবার ঝুঁকি নিয়ে ছাদেও উঠছেন কেউ কেউ।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ