ষ্টাফ রিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)। এ দিনে সৃষ্টিকুলের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক মুক্তির দূত শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (দ.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আজ যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন করবে মুসলিম বিশ্ব।
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র মক্কা নগরীর অভিজাত কুরাইশ বংশে আবির্ভাব ঘটে নবীকুলের শিরোমণি রহমাতুল্লীল আলামীন হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (দ.) এর।
এই দিনের মাহাত্ম্যও তাৎপর্য সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রিয় রাসূল (দ.) সম্পর্কে পবিত্র কোরআন শরিফে ঘোষণা করেন, ‘মুহাম্মদকে সৃষ্টি না করলে আমি পৃথিবী সৃষ্টি করতাম না’। তিনি সব কুসংস্কার, গোঁড়ামি, অন্যায়, অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙ্গে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা বয়ে এনেছিলেন। তাঁর আগমনে মানব জাতি লাভ করেছে কল্যাণময় পথের পরিপূর্ণ দিক-নির্দেশনা, মানবিক মূল্যবোধ ও মর্যাদার গভীরতম চেতনা। রবিউল আউয়ালের এই রজনীতে গোটা দুনিয়ায় ধ্বনিত হয়- ‘ইয়ানবী সালামু আলাইকা, ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা।’
মুসলমান সমপ্রদায়ের কাছে আজকের এই দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। মুসলিম বিশ্ব বিভিন্নভাবে আবেগ-অনুভূতি প্রকাশ করে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি উদযাপন করে। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে প্রতিটি ঘরে ঘরে ঈদে মিলাদুন্নবীর আনন্দকে ভাগ করে নেওয়া হয়।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের অফিস-আদালত বন্ধ থাকছে। সংবাদপত্রগুলো ঈদে মিলাদুন্নবীর ওপর বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করছে।




