ফিলিপাইন এর ম্যানিলা-তে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। বিকাল ৪ ঘটিকায় দূতাবাস কর্তৃক ই-পাসপোর্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ফিলিপাইনে বসবাসরত বাংলাদেশী কমিউনিটি সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ সরকারের ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম নিয়ে তথ্যবহুল বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ তরিকুল ইসলাম, যুগ্মসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এবং মেজর মোঃ নাইম মোর্শেদ রুম্মান, সহকারী প্রকল্প পরিচালক, ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থাপনা প্রকল্প। এরপর বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ,এনডিসি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন যে প্রবাসী বাংলাদেশীদের স্বার্থ সংরক্ষণে এবং তাদেরকে বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা প্রদানে বাংলাদেশ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার একটি উদাহরণ হলো ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। বর্তমানে বিদেশস্থ ৬০টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ৬১তম মিশন হিসেবে আজ ফিলিপাইনের ম্যানিলাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সিস্টেম চালু হল। এই ই-পাসপোর্ট-এর মেয়াদ ১০ বছর। এই ই-পাসপোর্ট-এর ফলে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট প্রাপ্তি সেবা আরো বেগবান ও সহজতর হবে এবং কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হবে। এছাড়াও, এই ই-পাসপোর্ট অত্যাধুনিক এবং এতে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট রিডার। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, ই-গেট ব্যবহার করে একজন ই-পাসপোর্টধারী এয়ারপোর্টে দ্রুত ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। ই-পাসপোর্ট সিস্টেম এর সাথে ICAO এর ডাটাবেজ সন্নিবেশিত রয়েছে বিধায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টধারীগণ ICAO এর অন্যান্য সদস্য দেশসমূহে অবস্থিত ই-গেটের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
বাংলাদেশী কমিউনিটি সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট সেবা হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং একইসাথে তারা বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এরপর, প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ প্রদান করা হয়। পরিশেষে, আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।




