চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক আলোচিত পটিয়ার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইফুল হাসান টিটু গ্রেফতার হন সম্প্রতি ।
গত ৫ই আগস্ট পটিয়া উপজেলায় ছাত্র জনতার উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষনকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী সাইফুল হাসান টিটুকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার পুলিশ পাথরঘাটা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছেন ২১ এপ্রিল । টিটুর বাড়ী চট্টগ্রাম পটিয়া উপজেলার নাইখাইন গ্রামে বলে জানা যায়। টিটুর বিরুদ্ধে পাঁচ হত্যা মামলা এবং বিস্ফোরক মামলা রয়েছে। এলাকাবাসী জানান, তার বিরুদ্ধে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ হচ্ছে বিভিন্ন মানুষের কাছে থেকে ব্যবসার জন্য টাকা ধার নিয়ে সে টাকা ফেরত না দেওয়া। টাকা ফেরত চাইলে নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করা। অনেক জনকে টাকা ধারের টাকা ফেরত চাইলে টাকা ফেরত না দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে সম্প্রতি দৈনিক ইনকিলাব একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেন। টিটু পাওনাদারকে হয়রানির জন্য আদালতে যে মামলা দায়ের করেন তার তদন্তভার চট্টগ্রাম মেট্রো পিবিআাই এবং সিআইডি মেট্রো ও জেলা চট্টগ্রাম এর উপর নায্য হয়। টিটু পিবিআই এবং সিআইডি যে কর্মকর্তা উপর তদন্তভার পরে টিটু সে কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে মামলার বিবাদীকে হুমকি দুমকি দিয়ে বিবাদীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার এ কাজে সহযোগিতা করেন চট্রগ্রাম মেট্টো জেলা পিবি আই কর্ম কর্তা এ এস আই ফয়সাল আহমেদ (বি পি নং৮৭০৬১১১৮৮৪ ) এবং সিআইডি মেট্রো ও জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম তদন্ত কর্ম কর্তা মোশাররফ হোসেন (বিপি নং ৮৩১৩১৫৩১৩৬) পিবিআই এবং সিআইডি এই দুই দূর্নীতি গ্রস্থ কর্মকর্তা ফ্যাসিষ্ট এর দোসর টিটু কে সাহায্য করার জন্য টিটু দায়ের করা মামলার বিবাদী বিরুদ্ধে, যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন তা বাতিল করে যেন পুনরায় তদন্ত করার জন্য আদালত যেন আদেশ দেয় তা ভুক্তভোগী দের দাবি। এবং পিবিআই এবং সি আইডি এ দুই কর্ম কর্তা কে বহিষ্কার করে তাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য পুলিশ মহাপরিচালকের কাছে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।




