দেশের সীমান্ত এলাকাকে টার্গেট করে ভারতীয়দের লংমার্চ এবং ত্রিপুরায় বাংলাদেশ মিশনে হামলার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বিজিবির সদর দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় জানানো হয়, দেশের সীমান্তে যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কিংবা অপতৎপরতা রোধে বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সতর্ক রয়েছে।
এদিকে ত্রিপুরায় বাংলাদেশ মিশনে হামলার পর আগরতলা থেকে আখাউড়ামুখী লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় আখাউড়া সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।তবে আমদানি রফতানি কার্যক্রম সকাল থেকেই স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।
৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রোধ করার লক্ষ্যে বিজেপি প্রস্তুত রয়েছে। আখাউড়া সীমান্তে স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল দুপুরে ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা টেনে হিঁচড়ে ছিঁড়ে ফেলা হয়। ‘হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’ নামের একটি সংগঠনের সমর্থকরা এই হামলা চালান বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেখানে নানা ঘটনাপ্রবাহ প্রমাণ করছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিশনের প্রধান ফটক ভেঙে প্রাঙ্গণে আক্রমণাত্মক কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে হামলাকারীরা পতাকার খুঁটি ভাঙচুর করে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা করে এবং সহকারী হাইকমিশনের ভেতরে সম্পত্তির ক্ষতি করে। পরিতাপের বিষয়, প্রাঙ্গণ রক্ষার দায়িত্বে থাকা স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ছিলেন না।




