শুক্রবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৪
প্রচ্ছদজাতীয়এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ল

এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ল

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজি’র মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি। বেসরকারি খাতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি মূসকসহ ৯৯৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৩ টাকা করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে এই মূল্য, আর এটি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এখন পর্যন্ত। অনলাইন ব্রিফিংয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আমদানি মূল্য বাড়ায় দেশের বাজারে বাড়ছে এলপিজির দাম।

কয়েকমাস ধরেই চড়া এলপিজি’র বাজার। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সৌদি আরামকো’র সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের বাজারে এর দাম নির্ধারণ করা হয়। নতুন করে দাম বাড়িয়ে ১২ কেজি এলপিজি’র মূল্য ১ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। যা কার্যকর হবে বুধবার থেকে। উৎপাদন পর্যায়ে ব্যয় পরিবর্তন না হওয়ায় রাষ্ট্রায়াত্ত কোম্পানির এলপিজির দাম পরিবর্তন করা হয়নি। সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম আগের ৫৯১ টাকাই থাকছে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম প্রতি লিটার ৫০ টাকা ৫৬ পয়সা। মঙ্গলবার এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি।

বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল বলেন, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তা পর্যায়ে মূসক পর্যায়ে মূল্য প্রতিকেজি ৮০ টাকা ৫৬ পয়সা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতিকেজি ৮৬ টাকা ৬০ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি বোতলজাতকৃত এলপিজির মূসকসহ মূল্য ১ হাজার ৩৩ টাকয় সমন্বয় করা হয়েছে। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরামকো। একে ভিত্তিমূল্য ধরেই দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।
মো. আবদুল জলিল আরও বলেন, প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিটি কর্তৃক নির্ধারিত করা হয়েছে ৬৫৬ দশমিক ৭৫ মার্কিন ডলার। ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসক ব্যতিত মূল্য প্রতি লিটার ৪৭ টাকা ৩৫ পয়সা এবং মূসকসহ মূল্য প্রতি লিটার ৫৬ টাকা ৫৬ পয়সায় সমন্বয় করে আদেশ প্রদান করা হয়েছে। আমদানি মূল্য কমলে দেশের বাজারে আবারো এলপিজি’র দাম কমবে বলে জানায় বিইআরসি।
আরও পড়ুন

সর্বশেষ