ব্রেকিং নিউজ

এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনায় আরও তিন আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার আসামি মাহবুবুর রহমান রনি, রাজন ও আইনুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে সিলেট মহানগর হাকিম ২য় আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এর আগে, ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও রবিউলকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে শুনানি শেষে তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এদিকে, ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে গণধর্ষণ মামলার ছয় নম্বর আসামি মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে এমসি কলেজে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে পাঁচ থেকে ছয়জন তাদের জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তারা। পরে ওই গৃহবধূকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। অভিযুক্ত ছাত্রলীগকর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী। আসামিরা হলেন- সাইফুর রহমান (২৮), শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেক (২৮), অর্জুন লস্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান মাছুম (২৫)। তাদের মধ্যে সাইফুর রহমান বালাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে, তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় আর মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেটের সদর উপজেলায়। মামলার এই ছয় আসামি ছাত্রলীগের কর্মী।

এর আগে অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি এম সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি রামদা, একটি ছোরা ও জিআই পাইপ উদ্ধার করা হয়।

About bdsomoy