ব্রেকিং নিউজ

করোনায় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা ক্ষতি চট্টগ্রাম বন্দরে

করোনাকালে শুধু কার্যক্রম সচল রাখতে সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ে চট্টগ্রাম বন্দর। স্টোররেন্ট মওকুফ করা হয় ২শ’ কোটি টাকার বেশি। পাশাপাশি অফ ডকে কন্টেইনার খালাসের ব্যবস্থা করে আরো প্রায় ১শ’ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে কন্টেইনার জটের কবলে পড়ে গত চার মাসে অন্তত দেড়শ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন জাহাজ মালিকরা। বন্দরে আসা কন্টেইনার পিছু ৬ থেকে ১২ মার্কিন ডলার স্টোররেন্ট হিসেবে আদায় করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে ২৬ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৩ দফায় স্টোররেন্ট শতভাগ মওকুফ করে দেয়। এতে মওফুক করা হয় ২০৮ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, আসলে বন্দরে কন্টেইনার স্টোর করে রাখার জায়গা না। করোনায় সব বন্ধ ছিল তাই ব্যবসায়ীদের স্টোররেন্ট ফি-টা প্রণোদণা হিসেবে মওকুফ করেছি। এদিকে বন্দরের কন্টেইনার জটের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হয় বিদেশী জাহাজের এদেশের এজেন্টদের। যার পরিমাণ দেড়শ কোটি টাকার বেশি। তবে গত এক মাস ধরে বন্দরের কার্যক্রম পুরোদমে চালু হওয়ায় কন্টেইনার জট অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশন সহ সভাপতি শফিকুল আলম জুয়েল বলেন, ‘প্রতিটা জাহাজে ১৫-২০ হাজার ডলার করে ক্ষতি গেছে।

পিআইএল লিমিটেড মহা ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ জহির বলেন, এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে কিছু অর্ডার ডিলে হয়েছে। সেই ক্যানসেল বা ডিলে হওয়া অর্ডারের দিকে আমরা আবার নজর দিয়েছি। এ অবস্থায় কোনো রকম করারোপ না করে দক্ষতার পাশাপাশি সক্ষমতা বাড়িয়ে বন্দরের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কথা বলেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক এস এম আবু তৈয়ব। গত অর্থ বছরের শেষ ছয় মাসে করোনা সংক্রান্ত জটিলতার মাঝেও চট্টগ্রাম বন্দর ৮ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

About bdsomoy