ব্রেকিং নিউজ

আওয়ামী লীগের চিন্তাভাবনা সিটি নির্বাচন নিয়ে

ঘনিয়ে আসছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের সময়। এ নির্বাচনে আবারো বিজয় নিশ্চিত করতে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে জনপ্রিয় ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার কথা ভাবছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে তফসিল ঘোষণার পরই চূড়ান্ত করা হবে প্রার্থী।

সিটি কর্পোরেশনের ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবার ১৮০ দিন আগে যেকোন সময় নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। ভাগ করার পর ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৮শে এপ্রিল। ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে আসছে দ্রুত।

এ অবস্থায় দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন দলে। তবে মেয়র প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা, ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাসহ বেশকিছু বিষয়কে বিবেচনা করার কথা ভাবছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেন, আমরা কিছুদিন পর ফরম বিক্রি শুরু করবো। যারা ফরম কিনবে তাদের মধ্য থেকে মনোনয়ন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয়ভাবে যে কমিটি করে দেয়া হয়েছে তারা ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমেই প্রার্থী নির্বাচন করবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, দুই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই প্রার্থীতা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।যে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা দলের এবং নেতাকর্মীদের কাছে থাকবে, যার বিরুদ্ধে কোন অনৈতিক অভিযোগ থাকবে না, এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হবে।

ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ ও এতে সাধারণ মানুষের মৃত্যু নিয়ে বিরূপ প্রভাব পড়েছে জনমনে। প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমান দুই মেয়রের সক্ষমতা নিয়ে। তাই নতুন মুখের কথা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না দলের নেতারা।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, মেয়রদের কাজ বেশি কথা কম বলতে হবে। তারা বেশি কথা বলে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। নানা সমস্যায় জর্জরিত ঢাকা মহানগরীর মানুষদের অনেক প্রশ্নই থাকতে পারে, তাই তাদের প্রশ্নগুলোকে সামনে রেখেই আগামীতে মেয়র নির্বাচনের প্রার্থী বিবেচনা করা হবে।

কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে যারা মূল্যায়ন করেননি তাদের এবার মনোনয়ন দেয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির নেতারা।

Please follow and like us:

About bdsomoy