ব্রেকিং নিউজ

চট্টলরত্ন জহুর আহমদ চৌধুরী

বঙ্গবন্ধুকে যদি রাজনীতির কবি বলা হয়, তাহলে জহুর আহমদ চৌধুরী হচ্ছেন রাজনীতির শিল্পী! একজন ‘পোয়েট অব পলিটিক্স’ অন্যজন ‘আর্টিষ্ট অব পলিটিক্স’। বঙ্গবন্ধুর সাথে জহুর আহমদ চৌধুরীর সম্পর্কটাও ছিল সবচে’ মধুর। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর সাথে আঁঠা হয়ে আটকে ছিলেন জনাব চৌধুরী। দু’জনের অন্তরঙ্গতা নিয়ে বহু রাজনৈতিক হিউমার প্রচলিত আছে। মুছে যাওয়ার আগে এগুলো যদি কোন রাজনৈতিক গবেষক চয়ন করে গ্রন্থিত করেন, তাহলে আমাদের রাজনৈতিক সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ হবে অতি-অবশ্যই। FB_IMG_1561980065048

চট্টগ্রাম শহরের উপকন্ঠে কাট্টলিতে জন্ম নেয়া ক্ষিণতনুর এই মানুষটি ছিলেন সিংহের চে’ সাহসী, বাঘের চে’ও পরাক্রমশালী! দেশ ও গণমানুষের জন্য নিজ জীবনের সুখ, ভোগ সব হাসতে হাসতে বিলিয়ে দেয়ার মত এতবড় রাজনৈতিক শিল্পী এ’দেশ ক’জন পেয়েছে? আঙুলে গোণা ক’ জন মাত্র! জাতির মহান জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তাঁর রাজনৈতিক জুটি এতো প্রাণবন্ত ও রসালো হবে, কল্পনা করতে গেলে ভাবনার ট্রেনেও ব্রেক টানতে হয়! কারণ, বঙ্গবন্ধুর ৬ ফুটের বেশি উচ্চতার হলিউড ছবির নায়কোচিত দেহ সৌষ্ঠব, দরাজ কণ্ঠ, আর জহুর আহমদ চৌধুরীর ক্ষিণতনুর পাটকাঠি কীভাবে মিলে! বয়সে চট্টলরত্ন জহুর আহমদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর চে’ ৪ বছরের বড়। বঙ্গবন্ধুু জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০ আর চৌধুরী সাহেবের ১৯১৬ সালে। কলকাতা, ঢাকা, চট্টগ্রাম এক ঘরানার রাজনীতি করেছেন দু’জন। মুসলিম লীগে শুরু আওয়ামী লীগে ইতি! পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায়ও তাঁরা দু’জন সামনে-আবার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধেও সামনে। মাঝখানে সামান্য সময়ের ফাঁক। ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর ‘অপারেশন সার্চ লাইটের’ নামে ভারী মারণাস্ত্র নিয়ে নিষ্ঠুর বর্বরতায় ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রাক মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুকে আটক করে। আটকের আগে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘোষণা জহুর আহমদ চৌধুরীর কাছে গোপনে ওয়ার্লেস বার্তার মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। চৌধুরী সাহেব তাঁর উপর অর্পিত মুক্তিযুদ্ধের সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ মহান দায়িত্ব বিশ্বস্থতার সাথে সম্পাদন করে জাতিকে মুক্তির ঠিকানায় পৌঁছে দেন।মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস বঙ্গবন্ধু পাকি মৃত্যুগুহায় আটক ছিলেন। চৌধুরী সাহেব সর্বশক্তি নিয়ে প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। এই সংক্ষিপ্ত ফাঁক বাদ দিলে দু’জনের জীবন এক ফুলের দু’পাপড়ি বলা যায়। বঙ্গবন্ধুর চেয়ে বয়সে যেমন বড়, তেমনি জনাব চৌধুরী চলেও গেছেন এক বছর আগে। ১৯৭৪ সালের ১ জুলাই পরপারের ডাকে সাড়া দেন, চট্টগ্রামের মেহনতি মানুষের প্রাণের বান্ধব জহুর আহমদ চৌধুরী। পরের বছর ‘৭৫এর ১৫ আগষ্ট দেশী বিশ্বাসহন্তা সশস্ত্র ঘাতকের বিষাক্ত ছোবলে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর আত্মদানতো ইতিহাসে সুনামিতোলা এক বর্বর অধ্যায়!
চট্টগ্রামের গণ মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা জহুর আহমদ চৌধুরীর সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কের এক টুকরো ছোট্ট রসায়ন উপহার না দিলে চট্টল রত্নের স্মৃতিচারণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ঘটনাটি সম্ভবত ৭৩ সালের শেষের। ততদিনে স্বাধীন দেশের প্রথম সংসদ নির্বাচনে কোতোয়ালী-পাঁচলাইশ আসন থেকে বিজয়ী জহুর আহমদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। আগে ছিলেন শ্রমমন্ত্রী। এমনিতে শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের প্রতি জনাব চৌধুরীর অকৃত্রিম ভালবাসা ছিল কিংবদন্তিতুল্য! পাকি আমলে চট্টগ্রামের ২৩ নম্বর রেস্ট হাউসে ছিল শহর আওয়ামী লীগের তথা জহুর আহমদ চৌধুরীর স্থায়ী আস্তানা। আজিজ কোম্পানি, কর্ণফুলী পেপার মিল, দাউদ, আমিন জুট মিল, বার্মা অয়েল, সিটি ট্রান্সপোর্ট শ্রমিক ইউনিয়নসহ চট্টগ্রামের ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের তিনিই ছিলেন অগ্রনী ব্যক্তিত্ব। কলকাতার ডকইয়ার্ড শ্রমিক নেতা হিসাবে বৃটিশ আমলেই হাত পাকিয়েছেন তিনি । তাই শহর আওয়ামী লীগের মূল কান্ডারীর পাশাপাশি শ্রমিক রাজনীতিতেও সার্বক্ষণিক যুক্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধু সবকিছু জানতেন। তিনি জানেন, তাঁর বন্ধু জহুর মিয়াকে যেমন কেনা যায়না, তেমনি শ্রমিকের পাওনা প্রশ্নে পাকিস্তানি বিখ্যাত শিল্প মালিকরা রেষ্ট হাউসে প্রকাশ্যে তাঁর সরু পা মালিশ করেও ন্যূনতম সুবিধা পায়নি, পাবেনা। এরকম বহু নজির তাঁর ভক্ত ও কর্মী গোফরান গাজী, মুক্তিযোদ্ধা হারিস চৌধুরীসহ অনেকের মুখ হয়ে এখনো আড্ডার টেবিলের রসালো ডিশ।
সাহস সততায় নিরাপোষ জনাব চৌধুরীর সাথে স্বাধীনতার পর দলের কিছু সিনিয়র নেতার ব্যাক্তিত্বের সংঘাত লাগে। বিশ্বাসঘাতক খোনকার মোস্তাক, মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ আরো কেউ কেউ এ’ তালিকায় ছিলেন। মোস্তাককে মোটেই সহ্য করতে পারতেন না জনাব চৌধুরী। বঙ্গবন্ধুর সামনেই যাচ্ছেতাই দুর্ব্যবহার করতেন। বঙ্গবন্ধু থামাতে গেলে খেপে গিয়ে বলতেন, ‘লিডার বলে দিলাম, এই বেডা দেশ ও দলের বারোটা বাজাবে’! শুনে বঙ্গবন্ধু স্বভাবসুলভ হো হো হাসিতে ফেটে পড়তেন। এতে খোনকার মোস্তাক আরো ক্ষুব্ধ হতেন। এদের কেউ কেউ জোট করে বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন এক নেতাকে হাত করে জনাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে কান ভাঙানি দেয় যে, জহুর চৌধুরী যাকে তাকে মা-বাপ তুলে চাটগাঁইয়া ভাষায় গালগালি করে। যা দল ও সরকারের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। বঙ্গবন্ধু পাইপে কামড় দিয়ে গম্ভীর মুখে অভিযোগ শোনেন। পাইপে টান দিয়ে সুগন্ধি ধোঁয়া উড়িয়ে আশ্বস্ত করেন অভিযোগকারীকে, চিন্তা করোনা, এর একটা বিহিত করছি।
জনাব চৌধুরী চট্টগ্রাম থেকে নেতা-কর্মীদের আনা উপহার মুড়ি ও শুটকি বঙ্গবন্ধুকেও ভাগ দিতেন। অভিযোগের পরদিনও একটিন মুড়ি নিয়ে ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে যান। এ’সময় বঙ্গবন্ধু কপট গাম্ভীর্য নিয়ে বলেন, যাক এসে গেছিস, তোকে খবর দেব ভাবছিলাম। জনাব চৌধুরী কোন মন্তব্য না করে অপেক্ষায় থাকেন। বঙ্গবন্ধু পরিচারককে মুড়ি, চা পরিবেশনের হুকুম দিয়ে বলেন, জহুর তুইতো আমার দলকে দুষিত করছস?
কীভাবে? পাল্টা প্রশ্ন।
‘যাকে তাকে নাকি মা-বাপ তুলে গালাগালি করিস’! বঙ্গবন্ধুর উত্তর।
“কন ‘চো—-র’ পোয়ায় কইয়ে জে”? রাগান্বিত বন্ধুর শুদ্ধ বাংলা জমা রেখে চাটগাঁইয়া হুঙ্কার! ততক্ষনে বাটিভর্তি মুড়ি ও চায়ের ট্রে এসে গেছে।
না, কেউ বলেনি- চা খা। বঙ্গবন্ধুর ঠোঁটে প্রশ্রয়ের হাসি।
এ’ধরনের রসালো অনেক ডিশ রাজনীতিতে ভাসিয়েছেন জনাব চৌধুরী। কখনো পকেটে টাকা রাখতেন না। অথচ ষাট দশকের শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে রেষ্ট হাউসে নিয়মিত নেতা- কর্মীদের ভীড় লেগে থাকতো। আবার খাবার সময় সবাই পাত পেতে ফ্লোরে বসে খাচ্ছে, সাধারণ ভাত-তরকারি। যোগান ঠিকই এসে যেত। রমজান মাসে প্রতিদিন সর্বস্তরের নেতা-কর্মি, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, শ্রমিক সবাই ইফতার করতে ছুটে যেতেন রেষ্ট হাউসে। পা’জামা, পান্জাবির উপর আচকান চাপানো ক্ষিণকায় মানুষটির স্নিগ্ধ ব্যাক্তিত্বের আভা সবাইকে কাছে টানতো। তাঁর লেখাপড়া ও সমকালীন গভীর রাজনীতি জ্ঞান ছিল অবিশ্বাস্য। বক্তৃতায় অনর্গল গালিব, রুমি, ফেরদৌসী, হাফিজের শে’র ও উধৃতি টানতেন। কোরাণ-হাদিসের জ্ঞান মৌলানার চে’ও সাবলীল ছিল তাঁর। কবিগুরু, নজরুল, সুকান্ত, মধুসুদন, বঙ্কিম সাহিত্যেও ছিল বিশাল দখল। মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ জনাব চৌধুরীর ঈর্ষনীয় সাহিত্য ও বিশ্ব রাজনীতির উপর দখল দেখে অধ্যক্ষ রেজাউল করিম চৌধুরীর মত শিক্ষাবিদরাও বিস্মিত হতেন। তিনি একমাত্র নেতা যিনি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর সাথে জেল খেটেছেন।
শ্রমিকদের তিনি পুত্রের মতো স্নেহ করতেন। ১৯৪৯ সালে জন্ম থেকে তিনি আওয়ামী লীগের মাঠের লড়াকু কর্মি। প্রিয় বন্ধু আরেক কিংবদন্তী রাজনীতিক মরহুম এম এ আজিজ। সিটি ও জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা দু’জনই। সাংগঠনিক প্রতিযোগিতা তীব্র হলেও দু’জনের পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ শুদ্ধ রাজনীতির অনন্য এক ইতিহাস! আসলে সীমিত শব্দে রাজনীতির এই মহাসমুদ্রের বিশাল কর্মযজ্ঞের কিছুই তুলে আনা সম্ভব না। শুধু সমুদ্র মন্থনের মত কিছু সুধা অথবা হলাহল ছেঁকে তোলা যাবে মাত্র! চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের পোক্ত ভিত গাঁড়তে জনাব চৌধুরীর বহুমুখী অবদান এ’যুগের খুব কম নেতা- কর্মিই জানেন। এ’ জন্য জহুর,আজিজ,এম এ হান্নান, এম এ মান্নানসহ নিবেদিত সব নেতাদের কর্ম নিয়ে আলাদা গবেষণা ও অর্কাইভ গড়া উচিত। বর্তমান নগর নেতৃত্ব দলকে গণমুখী ও বিকশিত করতে কাজটা হাতে নিতে পারেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী আয়োজনেও বিষয়টা রাখা যায়। মহানগর আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব চৌধুরীর সুযোগ্য দ্বিতীয় পুত্র ও প্রিয়জন মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর অনুরোধে জনাব চৌধুরীকে নিয়ে লিখতে গিয়ে তথ্য সঙ্কটে পড়েছি। জনাব চৌধুরীকে নিয়ে বিশাল ফরমায়েসী কিতাবও তৈরি করেছেন এক বানিজ্যিক জীবনী সম্পাদক। কিন্তু দরকারি তথ্যের চে’ বইটাকে বানিজ্যিক স্বার্থের মশলা অনেক বেশি। শেষ পর্যন্ত উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ইন্টারনেট, মাহতাব ভাই, জনাব চৌধুরীর ছোট ছেলে জসীম উদ্দীন চৌধুরীসহ আরো ক’জনের তথ্য সহযোগিতা নিতে হয়েছে।
মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর মত বিশ্বমাপের অবিস্মরণীয় নেতার সার্বক্ষণিক আস্থাভাজন থাকার বিরল যোগ্যতা। গণমানুষের পাশে থাকা, সাথে থাকা, অগাধ পাণ্ডিত্য, বিরল সততার সবগুলো মানবিক গুণের অপূর্ব সমন্বয়। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা একমাত্র জহুর আহমদ চৌধুরীর মাধ্যমে প্রচার করেছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি মুজিব নগর সরকারের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে কুমিল্লার মুক্তাঞ্চলে প্রথম স্বাধীন বাংলার পতাকা উড্ডীন করেন ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। বঙ্গবন্ধু সরকারের সংক্ষিপ্ত দু’মেয়াদেই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যুর আগে সাবেক পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে হার্দিক সম্পর্ক ছাড়াও পারিবারিক সম্পর্ক ছিল নিবিড়। বঙ্গবন্ধু তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠাতে চাপাচাপি করলে সরাসরি না করে দেন। তাঁর উক্তি, ‘আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে বিদেশে চিকিৎসা নিলে আমাদের চিকিৎসা সেবার উপর জনগন আস্থা রাখবে কেন? আমি তা করতে পারিনা”। কিছুদিন অসুখে ভুগে পিজিতেই ১৯৭৪ সালের ১ জুলাই অনন্তলোকে পাড়ি জমান রাজনীতির এই মহান শিল্পী। বঙ্গবন্ধু চট্টগ্রাম এসে নিজেই প্রিয় বন্ধু ও সহকর্মিকে দামপাড়ার পল্টন রোডের কবরে শায়িত করে যান। মৃত্যুর পর তাঁর পান্জাবির পকেটে দশ কী পাঁচ টাকার একটি ব্যাঙ্কনোট পাওয়া যায়। এটাই তাঁর পুরো রাজনৈতিক জীবনের সঞ্চয়! তিন স্ত্রীর গর্ভে তাঁর ডজন খানেক সন্তান। কারো জন্য কিছু রেখে যাননি। প্রথম স্ত্রীর বাপের সূত্রে প্রাপ্ত পল্টন রোডের এক খন্ড জমিতে তাঁর পুত্ররা ডেভলপারের মাধ্যমে বহুতল ভবন করে বাস করেন এখন। রাজনীতির শুদ্ধতম মহান শিল্পী তথা চট্টলরত্ন জহুর আহমদ চৌধুরীর ত্যাগ ও আদর্শিক আলো চট্টগ্রামের সরকারি দলের নেতা-কর্মিদের মনন আলোকিত করুক, ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এটাই আন্তরিক কামনা।

Please follow and like us:

About bdsomoy