ব্রেকিং নিউজ

চিটাগংকে বিদায় করে কোয়ালিফায়ারে ঢাকা ডায়নামাইটস

বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল চিটাগং ভাইকিংস ও ঢাকা ডায়নামাইটস। এই ম্যাচে হেরে গেলেই আসর থেকে সরাসরি ছিটকে যাবে, এমন সমীকরণ সামনে নিয়েই মাঠে নেমেছে দু’দল। তবে চিটাগংকে হারিয়ে আসরে নিজেদের টিকিয়ে রাখলো সাকিব আল হাসানের দল ঢাকা। চলতি আসরের প্রথম পর্বে ঢাকার বিপক্ষে দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল চিটাগং। সেই দুই ম্যাচেই জিতেছিল মুশফিকবাহিনী। ৪ ফেব্রুয়ারি মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চিটাগং দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান তোলে চিটাগং। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ঢাকা (১৩৬/৪)। ৪ ফেরুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে মাঠে নামবে রংপুর রা

ইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। এই ম্যাচে হেরে যাওয়া দলের বিপক্ষে ৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আবারো মাঠে নামবে ঢাকা। সেই ম্যাচে জয় পেলেই আসরের ফাইনালে পৌঁছে যাবে সাকিবের দল। আর হেরে গেলেই ছিটকে পড়বে আসর থেকে। ১৩৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটে ঝড় তোলেন ওপেনার সুনীল নারাইন ও উপুল থারাঙ্গা। তবে দলীয় ৪৪ রানে সেই উইকেট ভেঙে দেন খালেদ আহমেদ। তার বলে নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ১৬ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৩১ রান তোলেন নারাইন।

এরপর উপুল থারাঙ্গার সঙ্গে ব্যাটিংয়ে আসেন রনি তালুকদার। তবে দলীয় ৮৮ রানে রনিকে ব্যক্তিগত ২০ রানে এলবিতে ফেরান খালেদ আহমেদ। এরপর রান যোগ করার আগেই শূন্য হাতে ফেরেন সাকিব আল হাসান। তবে একদিক থেকে ব্যাট চালাতে থাকেন ওপেনার উপুল থারাঙ্গা। তাতে অর্ধশতক তুলে নেন থারাঙ্গা। ১৪ বলে ৭ চারে অর্ধশতক তোলেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তবে দলীয় ১১২ রানে নিজের উইকেটটি বিলিয়ে দেন তিনি। নাঈমের বলে শানাকার হাতে ক্যাচে দিয়ে ৫১ রানে ফেরেন লঙ্কান এই ব্যাটসম্যান। এরপর কাইরন পোলার্ডকে সঙ্গে করে এগুতে থাকেন নুরুল হাসান সোহান। দু’জন মিলেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। শেষ পর্যন্ত সোহান ২০ ও পোলার্ড ৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। চিটাগংইয়ের হয়ে তিনটি উইকেট নেন খালেদ আহমেদ। আর ১টি উইকেট নেন নাঈম হাসান।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায় চিটাগং। রুবেল হোসেনের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ৮ রানে ফেরেন ওপেনার ইয়াসির আলী। এরপর আরেক ওপেনার ক্যামেরন দেলপোর্ট এগুতে থাকেন সাদমান ইসলামকে সঙ্গে করে। তবে দলীয় ৫৬ রানে রানআউট হয়ে ব্যক্তিগত ৩৬ রানে ফেরেন দেলপোর্ট।

এরপর মুশফিকুর রহিম ৮, সাদমান ইসলাম ২৪, দাসুন শানাকা ৭ ও ফ্রাইলিঙ্ক ১, ও ভিলজোন ১ রান করে ফেরেন। তবে একদিক থেকে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন মোসাদ্দেক হোসেন। নাঈম হাসানকে সঙ্গে করে ব্যাটে ঝড় তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ইনিংসসর্বোচ্চ ৪০ রান করে রানআউট হয়ে ফেরেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। নাঈম হাসান ৬ ও আবু জায়েদ ১ রানে অপরাজিত থাকেন। ঢাকার হয়ে ৪ ওভারে ১৫ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন সুনীল নারাইন। আর ১টি করে উইকেট নেন রুবেল হোসেন ও কাজী অনিক।

ঢাকা ডায়নামাইটস একাদশ :

উপুল থারাঙ্গা, সুনীল নারাইন, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), রনি তালুকদার, মাহমুদুল হাসান, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), কিয়েরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল, শুভাগত হোম, কাজী অনিক ও রুবেল হোসেন।

চিটাগং ভাইকিংস একাদশ :

ইয়াসির আলী, ক্যামেরন দেলপোর্ট, সাদমান ইসলাম, মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, দাসুন শানাকা, রবি ফ্রাইলিঙ্ক, হার্ডাস ভিলজোন, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ ও খালেদ আহমেদ।

Please follow and like us:

About bdsomoy