মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৪
প্রচ্ছদজাতীয়ক্ষমতা গ্রহণের পর আমরা দেশব্যাপী বিপুলসংখ্যক বৃক্ষ রোপণ করেছি, বিরোধীদল আন্দোলনের নামে...

ক্ষমতা গ্রহণের পর আমরা দেশব্যাপী বিপুলসংখ্যক বৃক্ষ রোপণ করেছি, বিরোধীদল আন্দোলনের নামে বৃক্ষ কেটে ফেলছে- প্রধানমন্ত্রী

PM-treeআন্দোলনের নামে অবাধে বৃক্ষ কেটে ফেলার জন্য বিরোধী দলের প্রতি নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সৃষ্টি স্থলে তারা কেবল ধ্বংস করতে জানে। তারা কিছুই দিতে পারবে না, তারা কেবল জানে লুন্ঠন।’
প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ কৃষক লীগের (বিকেএল) তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদল কেবলমাত্র বৃক্ষ ও মানুষের প্রাণ হরণ করতে জানে। আন্দোলনের নামে গত কয়েক মাসে তারা ২০ হাজার গাছ কেটে ফেলেছে।
তিনি বলেন, বৃক্ষ কেবল আমাদের ছায়াই দেয় না- অক্সিজেন সরবরাহের মাধ্যমে জীবন রক্ষা করে।
কৃষক লীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোতাহার হোসেইন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট রহমত আলী এমপি, বিকেএল সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাকিরুজ্জামান সাকি বক্তব্য রাখেন।
পরাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কৃষক লীগের যুগ্ম-সম্পাদক কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র।
পরে গণভবন চত্বরে একটি চারা রোপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর পূর্ববর্তী সরকার ১৯৯৬-২০০১ সালে দেশব্যাপী হাজার হাজার বৃক্ষ রোপণ করেছে। তবে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে এসব গাছ ধ্বংস করে দেয়।
তিনি বলেন, ‘চলতি মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর আমরা দেশব্যাপী বিপুলসংখ্যক বৃক্ষ রোপণ করেছি। তবে বিরোধীদল এখন আন্দোলনের নামে অবাধে বৃক্ষ কেটে ফেলছে।’
প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেককে অন্তত তিনটি বৃক্ষ কাঠগাছ, ফল এবং ঔষুধি গাছ লাগানোর আহবান জানান। ‘শুধু গাছ লাগালেই যথেষ্ট নয়- জনগণকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য আমরা ভিশন-২০২১ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।
আমরা যদি সম্মিলিতভাবে কাজ করি তাহলে আমাদের ভিক্ষা করতে হবে না বরং আমরা উন্নত দেশগুলোতে খাদ্য সরবরাহ করবো। আমরা ভিক্ষা অথবা দান নিয়ে বাঁচতে চাই না। আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে চাই।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলতে তাঁর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার কৃষি খাতে গবেষণার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে।
শেখ হাসিনা দেশে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করার শিল্প স্থাপন এবং মসলা আবাদ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ