সোমবার, মে ২৭, ২০২৪
প্রচ্ছদবিনোদন সময়অভিনয় ছেড়ে চট্টগ্রামে স্থায়ী হচ্ছেন পূর্ণিমা!

অভিনয় ছেড়ে চট্টগ্রামে স্থায়ী হচ্ছেন পূর্ণিমা!

purnimaস্বামীর ঘোর আপত্তিতে অবশেষে অভিনয় ছেড়ে দিচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নায়িকা পূর্ণিমা। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা তিনি জানাবেন। বর্তমানে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় ইফতেখার আহমেদ ফাহমির ‘টু বি কন্টিনিউড’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পূর্ণিমা। এ ছবির কাজ শেষেই অভিনয় ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন তিনি। পূর্ণিমার ঘনিষ্ঠ সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘনিষ্ঠসূত্রে জানা যায়, অভিনয় ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছেন পূর্ণিমা। নতুন চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন কিংবা নাটকের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিচ্ছেন। অভিনয়ের পথ ছেড়ে পুরোপুরি সংসারী হতেই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চট্টগ্রামে নিজের শ্বশুরবাড়িতে মাসখানেক থাকার পর কিছুদিন আগে ঢাকায় ফিরেছেন পূর্ণিমা। বতর্মানে আছেন ঢাকার নিকুঞ্জে নিজ বাসায়। অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করেই আবার ফিরে আসবেন চট্টগ্রামের শ্বশুরবাড়িতে।
২০১০ সালে ২৯ নভেম্বর ফাহাদ জামালকে বিয়ে করেন পূর্ণিমা। এরপর সিনেমা থেকে দূরে থাকেন কিছু সময়। স্বামী সংসার নিয়ে অনেকটা ঘরমুখো হয়ে যান। হঠাৎ তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। দু’জনে আলাদাও ছিলেন কিছুদিন। এরপর শ্বশুর-শাশুড়ির ভূমিকায় সেই ফাটল বন্ধ করতে সমর্থ হন পূর্ণিমা। এবার পুত্রবধূর প্রতি তাদের ভালবাসাকে মূল্য দিতেই পূর্ণিমা ফিরে যাচ্ছেন নিজের একান্ত জীবনে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মেয়ে পূর্ণিমা নব্বই দশকের শেষ দিকে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। তার পুরো নাম দিলারা হানিফ রীতা। কিন্তু সিনেমায় এসে নাম নেন পূর্ণিমা। তার প্রথম চলচ্চিত্র জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না’ ছবিতে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর স্বীকৃতি পান। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘হৃদয়ের কথা’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালবাসা’, ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘সুলতান’, ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘পিতামাতার আমানত’, ‘মেঘের পরে মেঘ’সহ আরো অনেক। বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সোহানুর রহমান সোহানের ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ এবং মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘ছায়া-ছবি’।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ